সকাল সকাল মাথায় হাত বিনিয়োগকারীদের, বাজারে জোর ধাক্কা

আজ সকাল থেকেই রীতিমত হতাশ বিনিয়োগকারীরা। যেভাবে গত সপ্তাহে বাজার চাঙ্গা হয়েছিল, সেখান থেকে আজকের এই পতন দেখে হতাশ হয়েছে অনেকেই। আজ সকাল থেকেই বাজারের পরিস্থিতি খারাপ। সেনসেক্স, নিফটি ক্রমশ নিম্নগামী হয়েছে।

 

তবে কেবল ভারতই নয়, সামগ্রিক ভাবে প্রভাব পড়েছে এশিয়ান মার্কেটেও। পুরো এশিয়ান মার্কেট আজ নিম্নগামী হয়ে রয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সূচক কসপি সার্কিট ব্রেক করার পরে ২০ মিনিট থামানো হয়েছিল। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয়েছিল। অন্যদিকে আজ বেলা ১.৩৫ নাগাদ সেনসেক্স ৬৭৫.০৪ পয়েন্ট নেমে আসে। পৌঁছে যায় ৭৬,৪১৯.০৩ পয়েন্টে। অন্যদিকে ২২৬.২০ পয়েন্ট নেমে নিফটি নেমে আসে ২৩,৮৭৬.৭০ পয়েন্টে।


 

যদিও আজ সকালে ১০০.৭৬ পয়েন্ট বেড়ে সেনসেক্স পৌঁছে গিয়েছিল ৭৭,১৯৪.৮৩ পয়েন্টে। নিফটি ৩২.৬ পয়েন্ট বেড়ে পৌঁছে গিয়েছিল ২৪,১৩৫.৫০ পয়েন্টে। আজ দক্ষিণ কোরিয়ার সূচক কসপি ৮ শতাংশ পড়ে যাওয়ার কারণে ২০ মিনিট লেনদেন বন্ধ করে দেয় দক্ষিণ কোরিয়া। সেই সঙ্গে আজ জাপান, হংকং এর বাজারেও দেখা যায় রক্তস্নান। আর সেই প্রভাব এসে পড়ে ভারতের বাজারে। গতকাল আমেরিকার ন্যাসডাকের পতন হয়েছিল ২ শতাংশ। সেই সঙ্গে পতন হয়েছিল ডাও জোন্সেরও। সেই সঙ্গে গতকাল  বিপুল পরিমাণে বিদেশি ইন্সটিটিউশানাল বিনিয়োগকারী নিজেদের কাছে থাকা ই্যকুইটি বিক্রি করে দেয়। আর সেই কারণে আজ ধাক্কা লেগেছে ভারতের বাজারে।

সেই সঙ্গে মার্কিন ডলারের সাপেক্ষে ৬ পয়সার পতন হয়েছে ভারতীয় টাকার। যার সরাসরি প্রভাব এসে পড়েছে ভারতের শেয়ার বাজারে। সেই সঙ্গে আইটি, মেটাল শেয়ার বিক্রি করা হয়েছে বিপুল পরিমাণে। সেই সঙ্গে বাজার থেকে বিপুল পরিমাণ প্রফিট বুক করে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৯ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে ইন্ডিয়া ভিআইএক্স সূচক। আর তা স্পষ্ট করেছে এই মুহূর্তে অত্যন্ত অস্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে ভারতের শেয়ার বাজার। আর যে কারণে এই মুহূর্তে নতুন বিনিয়োগকারীরা বাজারে প্রবেশ করতে সাহস পাচ্ছেন না। এমনকি যারা এই মুহূর্তে বাজারে রয়েছেন তারাও নতুন ভাবে কোনো স্টকের দিকে যেতে চাইছেন না। এই মুহূর্তে বাজারের পরিস্থিতি কড়া নজরের মধ্যে রাখছেন সকলেই। অস্থিতিশীল পরিস্থিতি কিছুটা কমলেই নতুন করে বাজারে লেনদেন শুরু করতে পারেন অনেকে। তবে যা পরিস্থিতি নতুন বিনিয়োগকারীরা এই মুহূর্তে যাতে বাজারের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন  তাই বলছেন অনেকে।