আজ মঙ্গলবার দিনের শেষে শেয়ার বাজারে দেখা গেল ধস। যা নিয়ে রীতিমত উদ্বিগ্ন বিনিয়োগকারীরা। আজ দিনের শেষে দেখা গিয়েছে ৫৬১.৪৬ পয়েন্ট পতন হয়েছে সেনসেক্সের। নিফটির পতন হয়েছে ১৫৮.৯৫ পয়েন্ট। আজ দেখা গিয়েছে অধিকাংশ সেক্টরের পতন হয়েছে। সেই সঙ্গে পতন হয়েছে নিফটি স্মলক্যাপ, নিফটি মিডক্যাপেরও।
আজ পতন হয়েছে ব্যাঙ্কিং সেক্টরেরও। সেই সঙ্গে অটো ইনডেক্সের পতন হয়েছে ১.৬ শতাংশ। সেই সঙ্গে আজ বেড়ে গিয়েছে অপরিশোধিত তেলের দাম। আজ এইচসিএল টেকের দর পড়েছে ২.২ শতাংশ। আর এই পতনের পিছনে অন্যতম কারণ নতুন করে ইরান-আমেরিকা যুদ্ধের জিগির ওঠা। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ক্রুড ওয়েলের দাম। যার ফলে আজ রীতিমত নাজেহাল হয়ে গিয়েছে ভারতের শেয়ার বাজার।
এছাড়াও আজ সামগ্রিক ভাবে পতন হয়েছে এশিয়ান মার্কেটের। আর তার আঁচ এসে পড়েছে ভারতের বাজারে। আর সেই কারণে আজ ধস নেমেছে ভারতের দালাল স্ট্রিটে। এছাড়াও বিদেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা ৩০৬২.২৭ কোটি টাকার বিনিয়োগ বিক্রি করেছে। আর সেই কারণেই ধসে গিয়েছে বাজার। সেই সঙ্গে বেড়েছে ভিআইএক্স। আজ এই হার ৩ শতাংশ বেড়ে রয়েছে ১৪ র কাছাকাছি। সেই সঙ্গে কমেছে টাকার দম। ডলারের সাপেক্ষে ৪৮ পয়সা কমেছে টাকার দাম। আর সেই ধাক্কাতেই নেমে গিয়েছে ভারতের শেয়ার বাজারের দুই সূচক।
ইরান ও আমেরিকা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ভারতের বাজারে শুরু হয়েছিল রক্তস্নান। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছিল অপরিশোধিত তেলের দাম। পরিস্থিতি এমনই হয়েছিল গাড়ির তেল বা রান্নার গ্যাস নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছিল আমজনতার। যদিও সেই জটিল পরিস্থিতিতে ক্রমেই রাশিয়া থেকে নিজেদের চাহিদা পূরণ করে যাচ্ছিল ভারত। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতি সামাল দিতে পারেনি। সেই সঙ্গে ভারতের শেয়ার বাজারের পরিস্থিতি এতটাই অস্থিতিশীল ছিল যে বিনিয়োগকারীরা নতুন করে বাজারে প্রবেশের থেকে পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা অথবা নিজেদের পজিশন স্কোয়ার অফ করার দিকেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। আর তার ফলে আরও বেশি করে ধসে গিয়েছিল বাজার। ?যদিও পরবর্তীতে যুদ্ধের রেশ কমার সঙ্গে সঙ্গে নতুন করে আশা দেখাতে শুরু করেছিল বাজার। কিন্তু নতুন করে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার ফলে ফের ধসে গিয়েছে বাজার। এখন দেখার কত দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।