পেট্রোল, ইথানল নাকি ফ্লেক্স ফ্যুয়েল, আপনার পছন্দ বাঁচাতে পারে লাখ টাকা

বিগত কয়েক দশক ধরে গাড়ি কেনা ছিল অত্যন্ত সহজ একটি বিষয়। পেট্রোল না ডিজেল কোন গাড়ি কিনবেন বেছে নিন, দোকানে যান আর কিনে নিন। পরবর্তীতে গাড়ি বাজারে প্রবেশ করেছিল সিএনজি। তা মানুষের হাতে অপশন বাড়িয়ে দিয়েছিল। তারপরে বাজারে প্রবেশ করেছিল ইলেকট্রনিক ভেহিকল।

আজকের দিনে ইলেকট্রনিক ভেহিকল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই সঙ্গে বাজারে ইতিমধ্যেই প্রবেশ করেছে ইথানল মিশ্রিত ফুয়েল। বর্তমানে দেশজুড়ে রমরমিয়ে চলছে ই২০ ফুয়েল। আর এই জাতীয় ফুয়েল সব ধরনের গাড়িতেই ব্যবহার করা যায়। ইতিমধ্যেই দেশের বিপুল সংখ্যক মানুষের কাছে গাড়ি কেনা একটি শখ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। অনেকেই শখের বসে গাড়ি কিনতে চান। কিন্তু এই মুহূর্তে সব থেকে বড় প্রশ্ন হওয়া উচিত কোন তেলের গাড়ি কেনা উচিত। যাতে কিছুটা হলেও খরচ বাঁচে।

এই মুহূর্তে সরকারের তরফে জোর দেওয়া হচ্ছে যাতে মানুষজন ইথানল মিশ্রিত তেলের দিকে আগ্রহী হয়। যাতে অপরিশোধিত তেলের উপরে চাপ কমে। একাধিক অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে ই২০ হল তেলের মধ্যে ২০ শতাংশ ইথানল। ই৮০ তে থাকবে ৮০ শতাংশ ইথানল আর ই১০০ তে পুরোটাই ইথানল। এর ফলে সুবিধা হবে একাধিক। আর ফ্লেক্স ফ্যুয়েল মিশ্রিত গাড়ি ২ ধরনের তেলকে মাথায় রেখে তৈরি করা হচ্ছে। ফলে এই ধরনের গাড়ি সুবিধা দিতে পারে আমজনতাকে।


প্রাথমিকভাবে পরিবেশ দূষণের দিকে কিছুটা রেহাই পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন অনেকে। সেই সঙ্গে একটা সমস্যাও থাকছে। যাদের গাড়ি পুরোনো তাদের গাড়িতে সমস্যা হতে পারে। কারণ সেই সকল গাড়ি ইথানলকে গুরুত্ব দিয়ে তৈরি করা হয়নি। সেক্ষেত্রে গ্রাহকদের খরচের পরিমাণ বাড়তে পারে।  যদিও এই ইথানল মিশ্রিত তেলকে মাথায় রেখে বাজারে আনা হচ্ছে নতুন ধরনের গাড়ি। ইতিমধ্যেই এই ধরনের গাড়ি তৈরি করতে শুরু করেছে অনেক সংস্থাই। যা মানুষের খরচ অনেকটাই বাঁচিয়ে দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সাধারণত এই ফ্লেক্স ফুয়েলের খরচ পুরোপুরি পেট্রোল অথবা ডিজেলের থেকে অনেক কম হবে। সেই সঙ্গে কম থাকবে গাড়ির মাইলেজ। কিন্তু অন্যান্য ইভির ক্ষেত্রে একটি সমস্যা থাকে। গাড়ি পুনরায় বিক্রি করতে গেলে সেক্ষেত্রে কম দামে বিক্রি করতে হয়। আর তাছাড়া ইভির ক্ষেত্রে অন্যতম সমস্যা চার্জিং পয়েন্ট। সেই সময় এই ইথানল মিশ্রিত ফুয়েলের ক্ষেত্রে হবে না। সেক্ষেত্রে দামের ক্ষেত্রে সমস্যা হবে না আমজনতার। এমনটাও মনে করছেন অনেকে।