১ জুলাই থেকে এলপিজি সিলিন্ডার নিয়ে একাধিক নিয়মে পরিবর্তন আসতে চলেছে। তার মধ্যে একটি এমন নিয়ম রয়েছে, যেখানে এলপিজি কানেকশন বন্ধ হয়ে যাবে।
গত মাসেই কেন্দ্রীয় সরকার এলপিজি অ্যামেন্ডমেন্ট অর্ডার কার্যকরী করেছিল। নতুন এই নিয়মে যদি কোনো ব্যক্তির কাছে এলপিজি ও পিএনজি দুই কানেকশনই থাকে, তাহলে এলপিজি কানেকশন ছেড়ে দিতে হবে। একসঙ্গে দুটি কানেকশন রাখা যাবে না। ইন্ডেন, এইচপি, ভারত গ্যাস যে সংস্থারই সংযোগ থাকুক না কেন ৩০ দিনের মধ্যে তা ডিসকানেক্টেড হয়ে যাবে।
যদি কোনো গ্রাহক নিজে থেকে এলপিজি কানেকশন ছেড়ে দেন সেক্ষেত্রে তাকে একটি কুপন দেওয়া হবে, যা তিনি ভবিষ্যতে ব্যবহার করতে পারবেন। যদি তিনি এলপিজি কানবেকশন ফেরর নিতে চান সেক্ষেত্রে এই কুপন দেখালেই তিনি তা পেয়ে যাবেন।
গত মার্চ মাসেই কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করেছিল, যে সমস্ত জায়গায় পিএনজি সরবরাহ বর্তমান, সেখানে তিন মাসের মধ্যে এলপিজি গ্রাহকদের পিএনজি কানেকশনে ট্রান্সফার করতে হবে। যদি কেউ নিয়ম না মানেন, তবে এলপিজি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হবে। যেহেতু মার্চ মাসে এই ডেডলাইন দেওয়া হয়েছিল, সেই হিসাবে জুন মাসেই সময়সীমা শেষ হচ্ছে। ১ জুলাই থেকে এলপিজি পরিষেবা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
তাই যে এলাকায় ইতিমধ্যেই পিএনজি সংযোগ রয়েছে এবং পিএনজি সরবরাহ হয়, সেখানের বাসিন্দাদের অবিলম্বে পিএনজি কানেকশনই নিতে হবে। এলপিজি সিলিন্ডার আর ব্যবহার করতে পারবেন না।
উজ্জ্বলা যোজনার গ্রাহক যারা, তাদের ৩০ জুনের মধ্যে ই-কেওয়াইসি আপডেট করতেই হবে। যদি ই-কেওয়াইসি না করান, তাহলে সাবসিডি বা ভর্তুকি বন্ধ হয়ে যাবে।