রাজ্যে ক্রমেই বাড়ছে ডিমের দাম। আর এই দামবৃদ্ধির জেরে এবারে কোপে পড়ল করিমপুরের অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র। ডিমের মূল্যবৃদ্ধির কারণে সেখানে শিশু, গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের দেওয়া হচ্ছে না ডিম। আর তাতেই ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা।
সরকারি নিয়ম মোতাবেক, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ও গর্ভবতী মায়েদের সুস্থতার জন্য নির্দিষ্ট এক খাদ্যতালিকা মানা হয়ে থাকে। আর সেই মতো সোমবার, বুধ ও শুক্রবার শিশু ও মায়েদের ডিম পরিবেশন করা হয়ে থাকে। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সহায়িকাদের তরফে জানা গিয়েছে সরকারিভাবে ডিমের জন্য সাড়ে ছয় টাকা দেওয়া হলেও বাজার থেকে ডিম কিনতে খরচ হচ্ছে আট টাকা করে। তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন যাদের পক্ষে ডিমন কেনা সম্ভব হয় না, তারা এই অঙ্নওয়াড়ি কেন্দ্রের খাবারের উপরে নির্ভর করে থাকে। এখন ডিম বন্ধ হওয়ায় প্রয়োজনীয় পুষ্টি তারা পাচ্ছে নবা। কারণ ডিম এমন একটি খাবার যেখানে কম খরচে বেশি প্রোটিন পাওয়া যায়। বিষয়টি যাতে প্রশাসন দেখে তার আবেদন করা হয়েছে। করিমপুরের সিডিপিও জানিয়েছেন, ‘দাম বাড়ার কারণে অনেক অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র গুলোতে ডিম দেওয়া বন্ধ রেখেছে। আমরা বিষয়টি জেলা আধিকারিকদের জানিয়েছি। সঠিক নির্দেশ পেলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।’
যদিও গত এক দেড়মাসের মধ্যে ডিমের ডাম ট্রে প্রতি বেড়ে গিয়েছে ৪০ টাকা। ফলে দাম বেড়েছে খুচরো দোকানেও। যা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ পল্ট্রি ফেডারেশনের সভাপতি জানিয়েছেন, ‘মুরগির খাবারের দাম ক্রমাগত বৃদ্ধি হচ্ছে। সেই কারণেই মুরগি প্রতিপালনে খরচ বাড়ছে চাষিদের। তাই কাঁচামালের দাম বৃদ্ধির কারণেই ডিমের দামও চড়ছে। তবে আশা করা হচ্ছে আগামী ১৫ দিনের মধ্যেই ডিমের দাম কমবে।’