Home বিশ্ব সীমান্তে মায়ানমারের অতিরিক্ত সৈন্য মোতায়েন, বাঙ্কার খনন

সীমান্তে মায়ানমারের অতিরিক্ত সৈন্য মোতায়েন, বাঙ্কার খনন

65
0
SHARE
সীমান্তে মায়ানমারের অতিরিক্ত সৈন্য মোতায়েন, বাঙ্কার খনন

ঢাকা- ঢাকায় চলছে মায়ানমারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খ শোয়ে ও বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের মধ্যে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে বৈঠক। প্রথমবারের মত বাংলাদেশ ৮ হাজার ৩২ জন রোহিঙ্গার তালিকা হস্তান্তরিত করেছে মায়ানমারকে।

আর তার মধ্যেই সীমান্তের ওপাশে মায়ানমারে অতিরিক্ত সৈন্য সমাবেশ, নতুন করে বাঙ্কার খনন, রাতে ফাঁকা গুলি বর্ষনের আওয়াজ আসছে। এসব ঘটনায় শূণ্যরেখায় আশ্রিত রোহিঙ্গা ও স্থানীয় গ্রামবাসীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির কর্মীরা শূন্যরেখায় আশ্রিত রোহিঙ্গাদের স্থান্তরের আশ্বাস দিয়ে তাদের মানিসকভাবে প্রস্তুতি নেওয়ার কথা বললেও এই রোহিঙ্গারা যে কোনও মূহুর্তে শূন্যরেখা থেকে চলে আসতে পারে বলে জানিয়েছেন কর্মীরা।

তাঁরা জানান সীমান্ত এলাকায় মায়ানমারের সেনারা যে পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছেন, তাতে স্থানীয় গ্রামবাসীদের মধ্যে দেখা গিয়েছে উদ্বেগ-উৎকন্ঠা।

শূণ্যরেখায় আশ্রিত রোহিঙ্গা নেতা দিল মহম্মদ সাংবাদিকদের জানান, গত কয়েকদিন ধরে সীমান্তের ওপারে কাঁটাতারের বেড়া সংলগ্ন এলাকা তুমুব্রু, উত্তরপাড়া, টেকিবুনিয়া, কোয়াংচিবন, ফকিরাবাজার, কুমিরাখালী, কাদিলবল সহ বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে মানায়মান সেনারা নতুন করে বাংকার খনন করছে এবং সেখানে অবস্থান নিয়েছে।

তারা রাতের আঁধারে শূণ্যরেখায় এসে মুহুর্মুহু ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। ঢাকায় দুদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে বৈঠকে অবশ্য কোন তারিখ থেকে রোহিঙ্গা পুনর্বাসন শুরু হবে তা চূড়ান্ত হয়নি।

বলা হয়েছে, এই তালিকা মায়ানমার সরকার আগে যাচাই করবে। রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, খাদ্য ও নিরাপত্তা সঙ্কট এবং প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া বিলম্বিত হওয়ায় অবশিষ্ট রোহিঙ্গারাও এদেশে চলে আসতে বাধ্য হচ্ছে। সেখানে দোকানপাট বলতে কিছুই নেই।

মায়ানমার সেনারা বাজারে যেতে বাধা দিচ্ছে। পুকুরে জাল ফেলতে দিচ্ছে না। এমনকি খাবার জল সংগ্রহ করতে গিয়ে মায়ানমার সেনাদের কাছে শ্লীলতাহানির স্বীকার হচ্ছেন রোহিঙ্গা মহিলারা।